প্রতিষেধক নয় ‘অ্যান্টিবডি’ দিয়েই বিভিন্ন মহামারির সঙ্গে লড়াই করছে বিশ্ব!

ছবি: প্লাজমা দেয়া হচ্ছে
ছবি: প্লাজমা দেয়া হচ্ছে

পৃথিবীতে যুগে যুগে কয়েকবারই নানা ভাইরাস আঘাত হেনেছে। যা মহামারি রূপ ধারণ করে প্রাণ নিয়েছে হাজার হাজার মানুষের। বর্তমানে সারাবিশ্ব করোনার প্রাদুর্ভাবে আক্রান্ত। এটিকে অনেক আগেই মহামারি হিসেবে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

এখনো এর কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। তবে আধুনিক চিকিৎসা অনেক ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করতে পারলেও অতীতের বিভিন্ন মহামারিতে কীভাবে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করা হয়েছিল জানেন কি? আর ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরির আগে কীভাবেই করা হতো এর চিকিৎসা? আজকের ডেইলি বাংলাদেশের সাতরংয়ের লেখাতে সে সম্পর্কেই জানানো হবে-
১৯৩৪ সাল। পেনসিল্ভেনিয়ার একটি ছেলেদের স্কুলের প্রাইভেট চিকিৎসক সম্ভাব্য মারাত্মক হামের প্রাদুর্ভাব দূর করতে একটি ব্যবস্থা নিলেন। সেসময় অন্যান্য ভাইরাসের মতো হাম খুব মহামারি আকারে দেখা দিত। যাতে আক্রান্ত হয়ে প্রতিবছরই শিশুরা মারা যেত। ডা. জে রোজওয়েল গ্যালাগার একজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তার রক্তের প্লাজমা নমুনা সংগ্রহ করেন। যে এরই মধ্যে হাম থেকে সেরে উঠেছিল। আরো পড়ুন

Comments

Popular posts from this blog

পোড়াবাড়ির চমচমের দুইশ’ বছর

ত্বকের দাগ দূর করে উজ্জ্বলতা ফেরাবে পেঁপে সাবান! তৈরি করুন ঘরেই

রাঙামাটির বিখ্যাত বনরুপা বাজার